বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,  বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এর অফিসার ক্যাডেট পদে এইচ এস সি পরীক্ষার পর আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে তাদের পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি শারীরিক যোগ্যতা বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগের যোগ্যতা প্রকাশ করে। বছরে কয়েকবার এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় একজন বাংলাদেশের নাগরিক কে প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষার ভাইভা পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা এসএসসি পরীক্ষা এবং চূড়ান্ত মেডিকেল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এর মাধ্যমে এসকল বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কে বের করে নিয়োগ প্রদান করে যারা দেশ ও জাতি গঠনে রক্ষায় কাজ করে। এদের নিয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেই। 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

2007 সালে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশের সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সিলেট শহরে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি সিলেট শহরের এলাকায় অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রকৌশল কলেজ স্নাতক পর্যায়ের সরকারি প্রকৌশল কলেজ আসন সংখ্যা তিনটি বিভাগে প্রত্যেকটির ৬০টি করে মোট 180 এবং সহ মোট আসন সংখ্যা হচ্ছে 189টি। সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আট একর জায়গা নিয়ে গঠিত । এর পাশে রয়েছে সিলেটের সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এর ক্যাম্পাসে রয়েছে তিনটি একাডেমিক ভবন । ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপরে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করে , যা বুয়েট কুয়েট রুয়েট চুয়েট এর প্রদত্ত ডিগ্রির সমমান। 

ভর্তি পদ্ধতিঃ-

এখানে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করা হয়।ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ কৃত সকল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকে নাম্বারের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হয়। মেধাক্রমের নম্বরের 70 ভাগ আসে অংশগ্রহণ কৃত পরীক্ষার মধ্য থেকে এবং বাকি 30 ভাগ আসে এসএসসি এবং এইচএসসি এর নম্বর থেকে। এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ k3 দ্বারা এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ k3 দ্বারা গুণ করা হয়। মেধাতালিকায় অবস্থান সমান হলে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় যথাক্রমে গণিত পদার্থবিদ্যা রসায়ন ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বর 40 ভাগ। 

মেধাক্রম অনুযায়ী আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হয়।আবেদন করার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় সম্মিলিত জিপিএ কমপক্ষে পেতে হয় তবে এইচএসসি পরীক্ষার গণিত পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন ও ইংরেজিতে হবে কমপক্ষে জিপিএ থাকতে হবে । সেকেন্ড টাইম নাই।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পদার্থবিজ্ঞানে 30 নম্বর গণিত 33 নম্বর রসায়নের 30 নম্বর এবং ইংরেজিতে 20 নম্বর সর্ব মোট 100 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র বাংলায় প্রণয়ন করা হয়। তবে কোনো পরীক্ষার্থী যদি ইংরেজিতে প্রশ্নপত্র পেতে চায় তাকে তা আবেদনের সময় যথা নিয়মে উল্লেখ করতে হয় পরীক্ষা কক্ষে মোবাইল ফোন ঘড়ি এবং অন্যান্য সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মডেলে অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যায় অনুমোদিত ক্যালকুলেটরে লিস্ট পাবেন এখানে। 

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ আবেদন পদ্ধতি 

ক) ভর্তির ওয়েব সাইট (http://admission.sec.ac.bd) এর মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং আবেদন ফি বাবদ ১০০০/- (একহাজার) টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের  মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

খ) কোটায় আবেদনকারীদের আবেদন ফরমে নির্ধারিত কোটা নির্বাচন করতে হবে।

গ) আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করা হলে পরীক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে একটি sms এর মাধ ̈মে বিল (BILL) নম্বর দেওয়া হবে। বিল নম্বরটি  ̧গুরুত্বপূর্ণ বিধায় প্রার্থীকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

ঘ) প্রাপ্ত বিল নম্বর এর বিপরীতে মোবাইল ব্যাংকিং রকেট একাউন্ট বা এজেন্ট পয়েন্টের মাধ ̈মে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের BIller ID 339 এ আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি প্রদানের বিস্তারিত নিয়মাবলি ভর্তির ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

ঙ) পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাপ্ত মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর Transaction ID টি সংরক্ষণ করতে হবে। কেননা পেমেন্ট প্রদানে কোন সমস্যা হলে ট্রাঞ্জেকশন আইডি উল্লেখ করে admission@sec.ac.bd এ ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে।

চ) প্রাপ্ত বিল নম্বর ও Transaction ID টি ব ̈বহার করে ওয়েব সাইট থেকে প্রবেশপত্রের কালার প্রিন্ট নিতে হবে এবং পরীক্ষার দিন পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে।

ছ) ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস যথাসময়ে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে এবং এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে। এবং আমাদের ওয়েব সাইট এও জানানো হবে।


ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি স্নাতক পর্যায়ের সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি অনুষদের অধিভুক্ত। প্রকৃতপক্ষে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এই তিনটি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা একত্রে অনুষ্ঠিত হয় কারণ এ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। 

সরকারি এ তিনটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজই কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এই তিনটি বিষয়ের উপরে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করে যা বুয়েট কুয়েট রুয়েট চুয়েট এর প্রদত্ত ডিগ্রী এর সমমান । কলেজ তিনটির পাঠ্যক্রম পরীক্ষা ইত্যাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়। এই কলেজটি ময়মনসিংহের খবর এলাকার রহমত পুর বাইপাস মোড়ে 7 একর জায়গার ওপর অবস্থিত। আসুন জেনে নেয়া যাক ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে উক্ত কলেজটিতে বর্তমানে তিনটি বিভাগ চালু রয়েছে এক ইলেকট্রিক্যাল এ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি একাডেমিক স্টেশনে প্রত্যেক বিভাগের 60 জন করে মোট 180 জন ছাত্র-ছাত্রী সেখানে ভর্তির সুযোগ আছে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোট নয়টি সর্বাধুনিক পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্তর রয়েছে এছাড়া বিভাগের বিভাগীয় সেমিনার লাইব্রেরী এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণ সমৃদ্ধ ও স্বনামধন্য শিক্ষা কার্যক্রম চলমান সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আন্তর্জাতিক মান সম্মত হয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সর্বমোট সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। 

আবেদন যোগ্যতা

প্রার্থীকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় সহ জিপিএসের যোগফল ন্যূনতম 6.5 হতে হবে এবং পৃথকভাবে তিন থাকতে হবে তবে প্রার্থীর উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থ রসায়ন ও গণিত বিষয় থাকতে হবে 

ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

এসএসসি এবং এইচএসসি তে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা জিপিএ ও প্রতিযোগীতামূলক ভর্তি পরীক্ষা 25 নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রম অনুযায়ী এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। 

ভর্তিচ্ছু সকল প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় ভর্তি পরীক্ষার সময় এক ঘন্টা তিরিশ মিনিট ভর্তি পরীক্ষার এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে মোট 120 টি প্রশ্ন থাকবে. ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা এবং ইংরেজী মাধ্যমে হবে এবং প্রত্যেক প্রার্থীকে পদার্থ রসায়ন গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পদার্থ রসায়ন ও গণিত প্রতিটি বিষয়ের জন্য 35 নম্বর এবং ইংরেজি বিষয়ের জন্য 15 নম্বর থাকবে ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর 48 করা হবে তার থেকে প্রয়োজনীয় mcq ঘর পূরণ করার উপযোগী কালো বলপেন আনতে হবে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল একটি mcq উত্তর পত্র সরবরাহ করা হবে অতএব উত্তরপত্র গ্রহণের সময় প্রার্থীদেরকে সর্তকতা অবলম্বন করা দরকার পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না বিস্তারিত আসনবিন্যাস ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট সময়ে জানানো হবে

আবেদন পদ্ধতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর অনলাইন প্রাথমিক আবেদন এই ওয়েবসাইটে থেকে করা যাবে ভর্তির জন্য ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের তথ্য বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর পিতামাতা জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর সংক্রান্ত তথ্য এবং স্ক্যান করা একটি ছবি প্রয়োজন পড়বে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ইউনিটে ভর্তির আবেদন করে থাকে তাকে নতুন করে কোনো তথ্য দিতে হবে না ভর্তির আবেদন ফি তাৎক্ষণিক অনলাইনে ডেবিট কার্ড মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা যাবে দেখানো হবে। 

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত 2010 সালের 5 একর জায়গায় অধিক প্রতিষ্ঠিত হয় 2013 সালে থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয় কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট এর অধীনে পরিচালিত হয় এছাড়াও চারদিকে খোলামেলা পরিবেশ এবং কলেজের সুন্দর ডিজাইন করা দশটি বড় বড় বিল্ডিং আছে যা যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ করবে তিন দিনের জন্য তিনটি একাডেমিক ভবন 5 তলা বিশিষ্ট দুটি ছাত্র হোস্টেল এবং একটি ছাত্রী নিবাস হয়েছে এখানে ছাত্রছাত্রীদের থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজএ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এই তিনটি বিভাগে সাতটি করে মোট 180 টি আসন রয়েছে। এই কলেজে আবেদন পদ্ধতি ভর্তির যোগ্যতা সবকিছুই ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিট এর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভর্তি পরীক্ষা

বাংলাদেশের সর্বমোট 43 টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে তারপর ভর্তি হইতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সারা দেশে বিভিন্ন জেলায় রয়েছে। এত এত জায়গায় গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া একজন ছাত্রের জন্য বেশ কষ্টকর। এজন্য 2020 সাল থেকে 22 টি বিশ্ববিদ্যালয় একত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই পদ্ধতিতে সারাদেশে প্রায় বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার কেন্দ্র থাকবে একজন শিক্ষার্থী তার কাছাকাছি কেন্দ্রে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে। এবং এই একটিমাত্র ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এতে করে শিক্ষার্থীর সময় কষ্ট ও যাতায়াতের ভাড়া খাওয়ার টাকা  খরচ কম হবে।    

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সর্বপ্রথম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ করে এ সময়ে শুধুমাত্র এক কপি ছবি এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর দিয়ে আবেদন করা যায় কোন প্রকার অর্থ প্রদান করা দরকার হয় না। প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ করার পর তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করা হয় তারপর চূড়ান্ত আবেদনের জন্য বলা হয়। চূড়ান্ত আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষার সময় এইচএসসি এর মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হল:-শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় শেইখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 

আবেদন যোগ্যতা

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারে এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখা হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় সহ ন্যূনতম জিপিএ 3.5 সহ মোট জিপিএ আট থাকতে হয়

মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩ সহ 6 থাকতে হয়। এবং বাণিজ্য শাখার উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও ও এইচএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ 360 জিপিএ 3.5 থাকতে হয় ইংরেজি মিডিয়াম থেকে পরীক্ষা দেওয়া যায় তবে সে ক্ষেত্রে ফলাফল এর এর মান নির্ধারণ করার জন্য রেজিস্টার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা এর কার্যালয় যোগাযোগ করতে হয়। এবছর এই সমান যোগ্যতা নির্ধারণ করার জন্য আবেদনের শেষ তারিখ এর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ প্যাটার্নে অনুষ্ঠিত হয় 100 নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য 0.25 নম্বর কাটা যাবে। বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের কে 16 মোট 100 নম্বরের উত্তর দিতে হবে তারমধ্যে পদার্থ ও রসায়ন এ 25 নম্বর করে মোট 50 নম্বরের উত্তর দিতে হবে গণিত ও জীববিজ্ঞান এরমধ্যে যেটি চতুর্থ বিষয় ছিল না সেটির উত্তর করতে হবে 25 নম্বর এবং বাংলা অথবা ইংরেজি এই দুইটি বিষয়ের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি থেকে 25 নম্বরের উত্তর করতে হবে চতুর্থ বিষয় এর পরিবর্তে। 

মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের কে 100 নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে বাংলা ও ইংরেজিতে 35 নম্বর করে মোট সত্তর নম্বর এর উত্তর দিতে হবে এবং সাধারন জ্ঞান এর উত্তর দিতে হবে। 

বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীদের কে 100 নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে হিসাববিজ্ঞান থেকে 35 নম্বর ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা থেকে 35 নম্বর বাংলা থেকে 15 নম্বর ইংরেজি থেকে পনের নম্বরের উত্তর করতে হবে। এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে

মেধাস্কোর নির্ধারণ

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পৃথক পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীর মেধাক্রমঃ নির্ধারণ করবে। 

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগে বেশ কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। দেশের কৃষি ক্ষেত্রে  উচ্চতর অবদানের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবছর সর্বমোট 3419 জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পায়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পূর্ববর্তী বছরগুলোতে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিত। কিন্তু এখন বিশ্ববিদ্যালয় গুলো একত্রে পরীক্ষা নেয়। এতে করে শিক্ষার্থীদের সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হয়।

কৃষি ঘুচ্ছে মোট সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে করতে পরীক্ষা নেয়।  বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। একটি মাত্র ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীগণ এই সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে

আবেদন যোগ্যতা

ভর্তি পরীক্ষার থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করতে হয় এবং এসএসসি এবং এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয় ব্যতীত ন্যূনতম জিপিএ 3.5 এবং সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ আর থাকতে হয় এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান রসায়ন পদার্থ বিজ্ঞান এবং গণিত আলাদা বিষয় হিসেবে থাকতে হয় মোট আসন সংখ্যা দশগুণ পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয় ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি জমা নিয়ে নেওয়া হয় যাদেরকে আবেদন পড়ার পরেও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় না তাদেরকে সার্ভিসিং চার্জ রেখে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হয়। 

ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ প্যাটার্নে অনুষ্ঠিত হয় 100 নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় এইচএসসি ইংরেজি বিষয় থেকে 10 নম্বর জীববিজ্ঞান থেকে 30 নম্বর পদার্থবিজ্ঞান থেকে 20 নম্বর রসায়ন থেকে ২০  নম্বর থাকে।  প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য 0.25 নম্বর কাটা যায়। 

মেধাস্কোর নির্ধারণ

লিখিত পরীক্ষার জন্য 100 নম্বর এবং এইচএসসি পরীক্ষার জন্য 25 নম্বর এসএসসি পরীক্ষার জন্য 25 নম্বর সহ সর্বমোট দেড়শ নম্বরের মধ্যে মেধা তালিকা ও অপেক্ষামান তালিকা প্রকাশ করা হয়

বাংলাদেশ এর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সমূহে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি।

বাংলাদেশে মোট ৪টি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। এগুলি হলো ১ঃ-সিলেট  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ২ঃ-ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ৩ঃ-ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ৪ঃ-বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।এদের মধ্যে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেট এর অধিভুক্ত এবং অন্যান্য যে তিনটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে তারা হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত । এসব কলেজের শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন , পরীক্ষার তারিখ, ছুটির দিন, ইত্যাদি সবকিছু এই সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্ধারণ করা হয় এদের সিলেবাস এর সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্ধারণ করা হয়।

চারটি কলেজে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এই সকল কলেজের প্রতিষ্ঠা বিষয়সমূহ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনটি কলেজ এর প্রত্যেকেই  এই তিনটি বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করে থাকে যা বুয়েট কুয়েট রুয়েট এর প্রদত্ত ডিগ্রী এর সমমান। এ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো এমএসসি ডিগ্রি প্রদান করা হয়না । হাস এ তিনটি কলেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,টিলাগড়, সিলেট 

2007 সালে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশের সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সিলেট শহরে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি সিলেট শহরের এলাকায় অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রকৌশল কলেজ স্নাতক পর্যায়ের সরকারি প্রকৌশল কলেজ আসন সংখ্যা তিনটি বিভাগে প্রত্যেকটির ৬০টি করে মোট 180 এবং সহ মোট আসন সংখ্যা হচ্ছে 189টি। সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আট একর জায়গা নিয়ে গঠিত । এর পাশে রয়েছে সিলেটের সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এর ক্যাম্পাসে রয়েছে তিনটি একাডেমিক ভবন । ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপরে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করে , যা বুয়েট কুয়েট রুয়েট চুয়েট এর প্রদত্ত ডিগ্রির সমমান। 

ভর্তি পদ্ধতিঃ-

এখানে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করা হয়।ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ কৃত সকল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকে নাম্বারের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হয়। মেধাক্রমের নম্বরের 70 ভাগ আসে অংশগ্রহণ কৃত পরীক্ষার মধ্য থেকে এবং বাকি 30 ভাগ আসে এসএসসি এবং এইচএসসি এর নম্বর থেকে। এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ k3 দ্বারা এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ k3 দ্বারা গুণ করা হয়। মেধাতালিকায় অবস্থান সমান হলে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় যথাক্রমে গণিত পদার্থবিদ্যা রসায়ন ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বর 40 ভাগ। 

মেধাক্রম অনুযায়ী আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হয়।আবেদন করার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় সম্মিলিত জিপিএ কমপক্ষে পেতে হয় তবে এইচএসসি পরীক্ষার গণিত পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন ও ইংরেজিতে হবে কমপক্ষে জিপিএ থাকতে হবে । সেকেন্ড টাইম নাই।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পদার্থবিজ্ঞানে 30 নম্বর গণিত 33 নম্বর রসায়নের 30 নম্বর এবং ইংরেজিতে 20 নম্বর সর্ব মোট 100 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র বাংলায় প্রণয়ন করা হয়। তবে কোনো পরীক্ষার্থী যদি ইংরেজিতে প্রশ্নপত্র পেতে চায় তাকে তা আবেদনের সময় যথা নিয়মে উল্লেখ করতে হয় পরীক্ষা কক্ষে মোবাইল ফোন ঘড়ি এবং অন্যান্য সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মডেলে অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যায় অনুমোদিত ক্যালকুলেটরে লিস্ট পাবেন এখানে। 

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ আবেদন পদ্ধতি 

ক) ভর্তির ওয়েব সাইট (http://admission.sec.ac.bd) এর মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং আবেদন ফি বাবদ ১০০০/- (একহাজার) টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের  মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

খ) কোটায় আবেদনকারীদের আবেদন ফরমে নির্ধারিত কোটা নির্বাচন করতে হবে।

গ) আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করা হলে পরীক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে একটি sms এর মাধ ̈মে বিল (BILL) নম্বর দেওয়া হবে। বিল নম্বরটি  ̧গুরুত্বপূর্ণ বিধায় প্রার্থীকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

ঘ) প্রাপ্ত বিল নম্বর এর বিপরীতে মোবাইল ব্যাংকিং রকেট একাউন্ট বা এজেন্ট পয়েন্টের মাধ ̈মে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের BIller ID 339 এ আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি প্রদানের বিস্তারিত নিয়মাবলি ভর্তির ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

ঙ) পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাপ্ত মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর Transaction ID টি সংরক্ষণ করতে হবে। কেননা পেমেন্ট প্রদানে কোন সমস্যা হলে ট্রাঞ্জেকশন আইডি উল্লেখ করে admission@sec.ac.bd এ ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে।

চ) প্রাপ্ত বিল নম্বর ও Transaction ID টি ব ̈বহার করে ওয়েব সাইট থেকে প্রবেশপত্রের কালার প্রিন্ট নিতে হবে এবং পরীক্ষার দিন পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে।

ছ) ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস যথাসময়ে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে এবং এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে। এবং আমাদের ওয়েব সাইট এও জানানো হবে।

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি স্নাতক পর্যায়ের সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি অনুষদের অধিভুক্ত। প্রকৃতপক্ষে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এই তিনটি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা একত্রে অনুষ্ঠিত হয় কারণ এ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। 

সরকারি এ তিনটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজই কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এই তিনটি বিষয়ের উপরে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করে যা বুয়েট কুয়েট রুয়েট চুয়েট এর প্রদত্ত ডিগ্রী এর সমমান । কলেজ তিনটির পাঠ্যক্রম পরীক্ষা ইত্যাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়। এই কলেজটি ময়মনসিংহের খবর এলাকার রহমত পুর বাইপাস মোড়ে 7 একর জায়গার ওপর অবস্থিত। আসুন জেনে নেয়া যাক ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে উক্ত কলেজটিতে বর্তমানে তিনটি বিভাগ চালু রয়েছে এক ইলেকট্রিক্যাল এ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি একাডেমিক স্টেশনে প্রত্যেক বিভাগের 60 জন করে মোট 180 জন ছাত্র-ছাত্রী সেখানে ভর্তির সুযোগ আছে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোট নয়টি সর্বাধুনিক পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্তর রয়েছে এছাড়া বিভাগের বিভাগীয় সেমিনার লাইব্রেরী এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণ সমৃদ্ধ ও স্বনামধন্য শিক্ষা কার্যক্রম চলমান সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আন্তর্জাতিক মান সম্মত হয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সর্বমোট সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। 

আবেদন যোগ্যতা

প্রার্থীকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় সহ জিপিএসের যোগফল ন্যূনতম 6.5 হতে হবে এবং পৃথকভাবে তিন থাকতে হবে তবে প্রার্থীর উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থ রসায়ন ও গণিত বিষয় থাকতে হবে 

ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

এসএসসি এবং এইচএসসি তে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা জিপিএ ও প্রতিযোগীতামূলক ভর্তি পরীক্ষা 25 নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রম অনুযায়ী এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। 

ভর্তিচ্ছু সকল প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় ভর্তি পরীক্ষার সময় এক ঘন্টা তিরিশ মিনিট ভর্তি পরীক্ষার এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে মোট 120 টি প্রশ্ন থাকবে. ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা এবং ইংরেজী মাধ্যমে হবে এবং প্রত্যেক প্রার্থীকে পদার্থ রসায়ন গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পদার্থ রসায়ন ও গণিত প্রতিটি বিষয়ের জন্য 35 নম্বর এবং ইংরেজি বিষয়ের জন্য 15 নম্বর থাকবে ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর 48 করা হবে তার থেকে প্রয়োজনীয় mcq ঘর পূরণ করার উপযোগী কালো বলপেন আনতে হবে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল একটি mcq উত্তর পত্র সরবরাহ করা হবে অতএব উত্তরপত্র গ্রহণের সময় প্রার্থীদেরকে সর্তকতা অবলম্বন করা দরকার পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না বিস্তারিত আসনবিন্যাস ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট সময়ে জানানো হবে

আবেদন পদ্ধতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর অনলাইন প্রাথমিক আবেদন এই ওয়েবসাইটে থেকে করা যাবে ভর্তির জন্য ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের তথ্য বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর পিতামাতা জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর সংক্রান্ত তথ্য এবং স্ক্যান করা একটি ছবি প্রয়োজন পড়বে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ইউনিটে ভর্তির আবেদন করে থাকে তাকে নতুন করে কোনো তথ্য দিতে হবে না ভর্তির আবেদন ফি তাৎক্ষণিক অনলাইনে ডেবিট কার্ড মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা যাবে দেখানো হবে। 

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত 2010 সালের 5 একর জায়গায় অধিক প্রতিষ্ঠিত হয় 2013 সালে থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয় কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট এর অধীনে পরিচালিত হয় এছাড়াও চারদিকে খোলামেলা পরিবেশ এবং কলেজের সুন্দর ডিজাইন করা দশটি বড় বড় বিল্ডিং আছে যা যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ করবে তিন দিনের জন্য তিনটি একাডেমিক ভবন 5 তলা বিশিষ্ট দুটি ছাত্র হোস্টেল এবং একটি ছাত্রী নিবাস হয়েছে এখানে ছাত্রছাত্রীদের থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজএ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এই তিনটি বিভাগে সাতটি করে মোট 180 টি আসন রয়েছে। এই কলেজে আবেদন পদ্ধতি ভর্তির যোগ্যতা সবকিছুই ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয় এবং ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিট এর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ একটি একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এটি বরিশাল বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় 13 কিলোমিটার পূর্বে বন্দর থানাধীন বরিশাল-ভোলা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এক একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় 2017 সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয় যাত্রা শুরু করে এই কলেজটিতে বর্তমানে 22 ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ প্রত্যেক বিভাগের 60 জন করে মোট 100 জন 120 জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুযোগ পায় একটি ছাত্রাবাসে একটি ছাত্রী নিবাস হয়েছে। এই কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ইউনিট এর অধীনে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর মত অনুষ্ঠিত হয়। 

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার অনেক উপায় রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো।


বাংলাদেশে থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গেলে বিভিন্নভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যায়ঃ

*প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পড়া [যেমনঃ BUET ,KUET,CUET,RUET ]
*বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পড়া [যেমনঃ SUST,JUST,BSMRSTU etc]
*সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর বিজ্ঞান ইউনিট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া।[যেমনঃ DU,JU etc]

এদের কেউ কেউ একা ভর্তি পরীক্ষা নেয় কেউ কেউ কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় একত্রে পরীক্ষা নেয়। নিচে ভাগ গুলো এবং পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি গুলা দেওয়া হলঃ

1.বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ-

ইঞ্জিনিয়ারিং এ শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর অন্যতম এই বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার পলাশিতে অবস্থিত । কিউএস ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং এ এর স্থান দেশের অন্যান্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপরে 

ভর্তি যোগ্যতাঃ-

বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে ইচ্ছুক সকল student এর প্রথম পছন্দ থাকে বুয়েট এ পড়ার। এজন্য এর ভর্তি পরীক্ষা দেবার জন্যও অনেক কষ্ট করতে হয়। একেক বছর একেক রকম ধরনে requirement বুয়েট চেয়ে থাকে। সেটা অবশ্যই সে বছরের SSC + HSC ফলাফলের উপর ভিত্তি করে। যেমনঃ এবছর চেয়েছিল যে SSC পরীক্ষায় physics, chemistry, Math এ মোট ২৭০ নাম্বার থাকতে হবে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে এর ভর্তি যোগ্যতা কতটুকু টাফ। তাই তোমার যদি ইচ্ছা থাকে যে তুমি বুয়েটে পড়বা তবে তোমাকে অবশ্যই ভাল করে পড়াশোনা করতে হবে। একেবারে ssc লেভেল থেকেই বুঝেবুঝে প্রতিটা বিষয় পড়তে হবে। ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা 'ক' ও 'খ' দুটি ভাগে হয় । "ক" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে না। "খ" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে। "ক" গ্রুপ এ বুয়েট সর্বদা লিখিত ভর্তি পরিক্ষা নিয়ে থাকে । মোট ৬০ টা প্রশ্ন , ৬০০ মার্কস। পদার্থ, রসায়ন, উচ্চতর গণিত প্রতিটা বিষয় থেকে ২০ টি করে প্রশ্ন থাকে। কিন্ত এবছর যেহেতু করোনা প্যান্ডেমিক ছিল তাই এবছর দুইটি ধাপে পরীক্ষা হয়েছে, প্রথমে ২৪,০০০ শিক্ষার্থী নিয়ে mcq এরপর বাছাই করে ৬০০০ নিয়ে চুড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। "খ" গ্রুপ এর পরীক্ষা ও ক গ্রুপ এর মত শুধু মাত্র মুক্ত হস্তে অংকন পরীক্ষা বেশি দিতে হয়। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ১২১৫ জন চুড়ান্ত ভাবে বুয়েটে পড়ার সুযোগ পাবে। সেকেন্ড টাইম নাই।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত। বুয়েট পেইজে বলা আছে। দেখতে পারেন



2.ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছ [কুয়েট , চুয়েট , রুয়েট ]

দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং এ শীর্ষ এ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আগে আলাদা ভাবে পরীক্ষা নিতো। তবে ২০২০ সালের কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব এর কারণে এরা একত্রে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে।

আবেদনের যোগ্যতাঃ

ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি পরীক্ষা দেবার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ প্রতি বছরের hsc রেজাল্ট এর উপরে ভিত্তি করে মিনিমাম result নির্ধারণ করে। কোন কোন বছর ssc এর রেজাল্ট ও যক্ত করে। এবছর(২০২১ সাল) কুয়েট চুয়েট রুয়েট HSC এর physics, chemistry, Math এর GPA 5.00 চেয়েছে। শুধুমাত্র এই রেজাল্ট ধারীরাই আবেদন করতে পারবে। ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ঃ KUET, CUET, RUET প্রতিবছর আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষা র আয়োজন করে। এত বছর কুয়েট mcq পদ্ধতি এবং অন্যরা লিখিত পরীক্ষা নিত।গত বছর সবাই লিখিত পরীক্ষা নিয়েছিল । এবছর(২০২১ সাল) covid-19 প্যান্ডেমিক এর কারনে তারা একত্রে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করার সিদ্দান্ত নিয়েছে। কেন্দ্র হবে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। পরীক্ষা 'ক' ও 'খ' দুটি ভাগে হয় । "ক" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে না। "খ" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে। ক গ্রুপ এর পরীক্ষা হবে mcq পদ্ধতিতে।খ গ্রুপ এর জন্য শুধুমাত্র মুক্ত হস্তে অংকণ পরীক্ষা বেশি দিতে হবে। সর্বোচ্চ নাম্বারের ভিত্তিতে মোট ৩০.০০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত 3201 জন চুড়ান্ত ভাবে পড়ার সুযোগ পাবে। সেকেন্ড টাইম নাই। এই পরীক্ষার সর্বশেষ সার্কুলার দেখতে এখানে ক্লিক করুন
3.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় SUST, JUSTএর মত বিশ্ব বিদ্যালয়

বাংলাদেশ এর অধিকাংশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ এ বছর থেকে GST ইউনিট এ ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। এ বিষয়ে GST ইউনিট এ বিস্তারিত বলা আছে। GST Unit এর সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন।
 

4.MIST Military Institute of Science & Technology

বাংলাদেশ এর অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় MIST এটি savar ক্যান্টনমেন্ট এ অবস্থিত।এখানে মিলিটারি ক্যাডেট এবং সাধারণ ছাত্র দুইই ভর্তি হয় এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

5.IUT Islamic University of Technology

বাংলাদেশ এর অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় IUT এটি গাজিপুর এ অবস্থিত।এটি OIC এর টাকায় চলে ।এবং প্রথম ৮০ জন student কে ফ্রি পড়তে দেয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।



বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট )  এর ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি


 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট ) হচ্ছে বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ।বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে ইচ্ছুক সকল student এর প্রথম পছন্দ থাকে বুয়েট এ পড়ার। এজন্য এর ভর্তি পরীক্ষা দেবার জন্যও অনেক কষ্ট করতে হয়। একেক বছর একেক রকম ধরনে requirement বুয়েট চেয়ে থাকে। সেটা অবশ্যই সে বছরের SSC + HSC ফলাফলের উপর ভিত্তি করে। যেমনঃ 2020 সালে চেয়েছিল যে SSC পরীক্ষায় physics, chemistry, Math এ মোট ২৭০ নাম্বার থাকতে হবে। 

 
সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে এর ভর্তি যোগ্যতা কতটুকু টাফ। তাই তোমার যদি ইচ্ছা থাকে যে তুমি বুয়েটে পড়বা তবে তোমাকে অবশ্যই ভাল করে পড়াশোনা করতে হবে। একেবারে ssc লেভেল থেকেই বুঝেবুঝে প্রতিটা বিষয় পড়তে হবে।

এখানে এটি ঢাকা শহরের শহরের লালবাগ থানার পলাশী এলাকায় অবস্থিত । বুয়েট , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল এর ক্যাম্পাস গুলো পাশাপাশি অবস্থিত। এখানে বর্তমানে প্রতিবছর  মোট ১২টি বিভাগের অধীনে ১২৭৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এবং কোটায় ৪টি। মূল ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৪০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নিয়ে সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়। 

img: BUET ECE building 
 

ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতিঃ

বুয়েটের ভর্তি  পরীক্ষা  'ক' ও 'খ' দুটি ভাগে হয় । "ক" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে না। "খ" গ্রুপ হল যারা আর্কিটেকচার পড়বে। 
বুয়েট সর্বদা লিখিত ভর্তি পরিক্ষা নিয়ে থাকে । মোট ৬০ টা প্রশ্ন , ৬০০ মার্কস। পদার্থ, রসায়ন, উচ্চতর গণিত প্রতিটা বিষয় থেকে ২০ টি করে প্রশ্ন থাকে। কিন্ত এবছর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা দুই ধাপে হবে। তবে পূর্ববর্তী বছরগুলোতে শুধু মাত্র লিখিত পরীক্ষা হতো। এবছর থেকে প্রথমে MCQ ১০০ টি ১০০ মার্ক ৬০ মিনিট এ হবে। তারপর ফলাফল অনুযায়ী প্রতি শিফট থেকে ৩ হাজার জন কে লিখিত  পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষায় ৪০টি প্রশ্ন ১০ মার্ক্স করে মোট ৪০০ মার্ক্স এর পরীক্ষা হবে। এবং সময় থাকবে দুই ঘন্টা । 

প্রথমে মোট আবেদন কারীদের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ ২০০০০ জন কে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেওয়া হবে। এই পরীক্ষা দুইশিফট এ আলদা আলাদা প্রশ্নে হবে। প্রশ্ন থাকবে মোট ১০০টি ।যার মধ্যে পদার্থ ৩৩টি, রসায়ন ৩৩টি,গণিত ৩৪টি থাকবে। প্রশ্ন হবে বহুনির্বাচনী ধরণের। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। যদি কেউ ভুল দাগায় তাহলে .২৫ নম্বর কাটা যাবে। 

মূল ভর্তি পরীক্ষা হবে ৪০০ নম্বরের। মোট ৪০টা প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০। গনিত এর ১৪ টি, পদার্থ ১৩টি ও রসায়ন ১৩টি। ভুল উত্তর এর জন্য কোন মাইনাস মার্কিং নাই।  

"খ" গ্রুপ এর পরীক্ষা ও ক গ্রুপ এর মত শুধু মাত্র মুক্ত হস্তে অংকন পরীক্ষা বেশি দিতে হয়।

আবেদন যোগ্যতাঃ

(ক) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ ̈মিক ও উচ্চ মাধ ̈মিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে বিজ্ঞান বিভাগে (গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ) ৫.০০ এর স্কেলে নূ ̈নতম জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ ̈মিক  স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল ̈ গ্রেড পেয়ে
পাশ করতে হবে।
 

প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক/ আলীম/ সমমানের পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে জিপিএ ৫.০০, গণিত বিষয়ে ২০০ নম্বরের মধে ̈ নূ ̈নতম ১৭০ নম্বর এবং পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয় সমূহে ৪০০ নম্বরের মধে ̈ নূ ̈নতম মোট ৩৭২ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ ̈মিক/ আলীম/ সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্যগ্রেড/ নম্বর পেয়ে পাশ করতে হবে।


যে সব প্রার্থী ২০১৮ সালে মাধ ̈মিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০২০ সালে উচ্চ মাধ ̈মিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণহয়েছেন কিন্তু উচ্চ মাধ ̈মিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় তাদের সংশোধিত ফলাফল ৩ মে ২০২১ তারিখের পরে শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে, সেক্ষেত্রে তাদেরকে মাধ ̈মিক ও উচ্চ মাধ ̈মিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ ̈মিক/ আলীম/ সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে জিপিএ ৫.০০ এবং মাধ ̈মিক/ দাখিল/ সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ে ৩০০ নম্বরের মধে ̈ নূ ̈নতম ২৭০ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিক/ দাখিল/ সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল ̈ গ্রেড/ নম্বর পেয়ে পাশ করতে হবে।
 

সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্যহতে উপরে উল্লেখিত নির্ধারিত নম্বরের ভিত্তিতে বাছাই করে ১ম থেকে ২০,০০০ তম পর্যন্ত সকল আবেদনকারীকে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের জন ̈ যথাμমে আবেদনকারীর উচ্চ মাধ ̈মিক/ সমমান পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয় দুইটিতে প্রাপ্ত মোট নম্বর এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরকে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসাবে
বিবেচনা করা হবে।


(খ) GCE “A” লেভেল এবং এঈঊ “O” লেভেল পাশ করা প্রার্থীদের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন ̈ এঈঊ “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয় (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিসহ) এর প্রতিটিতে নূ ̈নতম ই গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয়ের যে কোন দুইটিতে নূ্ন্যতম A গ্রেড এবং একটিতে ন্যনতম B গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে।


নূ্ন্যতম যোগ ̈তা পূরণ সাপেক্ষে GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে উপরে উল্লেখিত নির্ধারিত গ্রেডের ভিত্তিতে বাছাই করে ১ম থেকে ৪০০তম পর্যন্ত সকল আবেদনকারীকে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের জন্য আবেদনকারীর GCE 'A' লেভেল পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেডকে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসেবে বিবেচনা করা হবে।


(গ)নূন্যতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে।


(ঘ) উপরোক্ত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের দুইটি শিফটে বিভক্ত করে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নেয়া হবে। পরিসংখ্যান ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিটি শিফটে প্রার্থীদের মেধার বিন্যাসের সমতুল্য তা নিশ্চিত করা হবে। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ ̈ালয়ের ওয়েবসাইটে (
www.buet.ac.bd) তে প্রকাশ করা হবে।


(ঙ) প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম অনুসারে প্রতি শিফটের ১ম থেকে ৩০০০তম শিক্ষার্থীকে মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত নূ ̈ন্যতম ১২ জন পরীক্ষার্থী (পর্যাপ্ত আবেদন গ্রহণ সাপেক্ষে) মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে(
www.buet.ac.bd) প্রকাশ করা হবে। 

 আসন সংখ্যাঃ-

এখানে বর্তমানে প্রতিবছর  মোট ১২টি বিভাগের অধীনে ১২৭৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এবং কোটায় ৪টি।

আরো বিস্তারিত জানতে এইখানে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইল টি পরুন।